তিন আয়োজক সত্ত্বেও 2030 বিশ্বকাপে নিশ্চিত ছ'টি দেশের অংশগ্রহণ, কিন্তু কেন?
eTV Bharat | ২০ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা-মেক্সিকোর মাটিতে বিশ্বকাপের দশমীর সঙ্গেই আবাহন শুরু আগামীর। অর্থাৎ, ২০৩০ বিশ্বকাপ ফুটবল। চারবছর বাদে 'দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে'র আয়োজক এবারের মতোই তিনটি দেশ। নয়া চ্যাম্পিয়ন স্পেনের সঙ্গে আফ্রিকার মরক্কো ও ইউরোপের আরেকটি দেশ পর্তুগালে বসছে ২৪তম বিশ্বকাপের আসর। কিন্তু সেই বিশ্বকাপের জন্য ছ'টি দেশ যোগ্যতা অর্জন করেছে ইতিমধ্যেই।
ফিফা'র রীতি মেনে তিন আয়োজক মরক্কো, পর্তুগাল এবং স্পেনের যোগ্যতা নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি না-হয় বোধগম্য হল। কিন্তু এর বাইরে গিয়ে লাতিন আমেরিকার তিন দেশ উরুগুয়ে, আর্জেন্তিনা ও প্যারাগুয়েও আগামী বিশ্বকাপে প্রবেশ করছে সরাসরি।
কীভাবে ছাড়পত্র পেল বাকি তিন দেশ:
আসলে ২০৩০ সাল বিশ্বকাপের শততম বর্ষ। ঠিক একশো বছর আগে অর্থাৎ, ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে বসেছিল ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম আসর। তাছাড়া উরুগুয়ে প্রথম বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নও বটে। স্বাভাবিকভাবেই বিশ্ব ফুটবলের মানচিত্রে লাতিন আমেরিকার দেশটির একটা স্বতন্ত্র জায়গা রয়েছে। অন্যদিকে ১৯৩০ প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপের রানার্স দল ছিল আর্জেন্তিনা। আর লাতিন আমেরিকা ফুটবলের গভর্নিং বডি CONMEBOL-এর সদর দফতর যেহেতু প্যারাগুয়েতে অবস্থিত তাই উপরোক্ত তিনটি দেশকে বিশেষ ছাড়পত্র দিচ্ছে ফিফা।
এ প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখা ভালো বিশ্বকাপের শতবর্ষের উদযাপন স্বরূপ উপরের তিনটি দেশে আগামী বিশ্বকাপের প্রথম তিন ম্যাচের একটি করে অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে লাতিন আমেরিকার গুরুত্ব বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা। প্রথম তিন ম্যাচের পর ২০৩০ বিশ্বকাপ আয়োজক তিন দেশের মাটিতে পা রাখবে। কিন্তু সহ-আয়োজক হিসেবে যেহেতু লাতিন আমেরিকার তিন দেশের নাম জুড়ে যাচ্ছে তাই যোগ্যতা অর্জন পর্বের আওতায় রাখা হচ্ছে না উরুগুয়ে, আর্জেন্তিনা এবং প্যারাগুয়ে'কে।
কী বলছে ফিফা:
এই সিদ্ধান্তের স্বপক্ষে ফিফা তাদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, "২০৩০ বিশ্বকাপ সংস্করণ ফিফা'র কাছে মাইলস্টোন। কারণ ১০০ বছর আগে দক্ষিণ আমেরিকার তিন স্টেডিয়ামে প্রথম বিশ্বকাপ খেলা হয়েছিল। তাই সকল ফুটবল কনফেডারেশনগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পরেই লাতিন আমেরিকার মাটিতে বিশেষ করে উরুগুয়ে, আর্জেন্তিনা ও প্যারাগুয়ের মাটিতে শতবর্ষ উদযাপনের বিশেষ সম্মতি দিয়েছে ফিফা কাউন্সিল।"