ইন্দোরের মডেলেই জঞ্জালমুক্ত হবে হাওড়া শহর! বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখতে ভিনরাজ্যে মন্ত্রী
প্রতিদিন | ২০ জুলাই ২০২৬
মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর শহরে আধুনিক পদ্ধতিতে ও উন্নত প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে জঞ্জাল সাফাই হয়। এবার সেই মডেলেই হাওড়া শহরকেও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার সিদ্ধান্ত নিলে হাওড়া পুরসভা। ইন্দোর শহরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জঞ্জাল সংগ্রহ করা হয়। সেখানেই পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্যের পৃথকীকরণ হয়ে যায়। এরপর সোজা প্রসেসিং ইউনিটে নিয়ে গিয়ে সেই জঞ্জালের বস্তুরই পুনর্নবীকরণ করে নতুন নতুন সামগ্রী তৈরি হয়। সেই পদ্ধতি এবার হাওড়া শহরেও অনুসরণ করা হবে। কীভাবে এই পুরো প্রক্রিয়াটি চলে তা দেখতে হাওড়ার পুর কমিশনার তেজস্বী রানা -সহ পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে ইন্দোরে গিয়েছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা উত্তর হাওড়ার বিধায়ক উমেশ রাই।
কীভাবে আধুনিক উপায়ে শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা হচ্ছে ও উন্নত প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা হচ্ছে তা পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। কীভাবে ইন্দোরে ভারতের বৃহত্তম সিএনজি প্ল্যান্ট ও একটি নামি সংস্থা আধুনিক উপায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ওই বর্জ্যের বৈজ্ঞানিক উপায়ে পুনর্ব্যবহার করছে সে ব্যাপারে এই প্রতিনিধিদল বিশদ ধারণা নেন। এ প্রসঙ্গে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী উমেশ রাই বলেন, ‘‘দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ইন্দোর গোটা দেশের সামনে পরিচ্ছন্নতার একটা নজির তৈরি করেছে। আমরা ইন্দোর শহরের এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করলাম। ইন্দোরের মতো হাওড়া শহরকে পরিচ্ছন্ন করে তোলা যায় কি না তা দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ইন্দোরের মতো হাওড়া শহরেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা যায় কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই হাওড়া শহরকে জঞ্জালমুক্ত করার পরিকল্পনা করা হবে।’’
এই প্রসঙ্গে উমেশ রাই আরও বলেন, ‘‘পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও উন্নত হাওড়া গড়ে তোলা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সেই লক্ষ্যেই দেশের সফলতম মডেলগুলিকে গ্রহণ করে হাওড়া শহরের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।’’ প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর একটি বৃহত্তম জনবহুল শহর।