রাতের অন্ধকারে নগ্ন অবস্থায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছিলেন তরুণী। রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে সোজা পৌঁছে গিয়েছিলেন মন্দিরে। তার কিছুক্ষণ পরেই মন্দিরের অদূরে একটি পুকুরে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা! মহিলা তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর এই কাণ্ডে শোরগোল পড়ে গিয়েছে হায়দরাবাদে। তরুণী আত্মহত্যা করেছেন বলেই প্রাথমিক ভাবে মনে করছে পুলিশ। তাদের অনুমান, মানসিক অবসাদ থেকেই এই ঘটনায় ঘটিয়েছেন তিনি। যদিও নেপথ্যে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বছর পঁচিশের ওই তরুণী বেঙ্গালুরুতে একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কাজ করতেন। পরে তিনি বিশাখাপত্তনমে চলে যান। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, তরুণীর বাড়িতে নানা সমস্যা চলছিল। তাঁর মা-বাবাও একসঙ্গে থাকতেন না। বাবা থাকেন বিশাখাপত্তনমে। আর তরুণী এবং তাঁর মা থাকছিলেন হায়দরাবাদের পীরজাদিগুড়া এলাকায়। গত শুক্রবার, ঘটনার দিন মায়ের সঙ্গে মিয়াপুর এলাকায় একটি ফ্ল্যাট দেখতে গিয়েছিলেন তরুণী। রাতের দিকে তাঁরা বাড়ি ফেরেন। তার পরে খাওয়াদাওয়া সেরে ঘুমোতে যান। এর পরেই মাঝরাতে তরুণী তাঁর মায়ের ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে বিবস্ত্র অবস্থায় রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন।
শনিবার সকালে তরুণীর দেহ উদ্ধার হয় স্থানীয় পুকুর থেকে। পরে সেটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। ঘটনার কথা তরুণীর বাবাকে জানানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওই তরুণী এবং তাঁর মা দু’জনেই নানা বিষয় নিয়ে ভয়-আতঙ্ক এবং ফোবিয়ায় ভুগছিলেন। তরুণীর আত্মহত্যার সঙ্গে তার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।