রাত জেগে খেলা দেখলে সকালে স্কুলে কী করে যাব? ছুটির আবেদন করেছিল ছাত্রছাত্রীরা। তা মেনে নিয়ে সোমবার স্কুল ছুটি দিল কেরালা সরকার। রবিবার কেরলের শিক্ষা দপ্তর সমস্ত সরকারি স্কুলে ছুটি ঘোষণা করেছে। শিক্ষামন্ত্রী এন শামসুদ্দিন সমাজমাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে লিখেছেন, ‘বাচ্চারা, এ বার খুশি তো?’ বিরোধী দল সিপিএমও খুশি। তারাও চাইছিল, শিশুরা যাতে এই ছুটিটা পায়।
স্কুল ছুটির দাবি কেরালায়
রবিবার রাতে ফুটবল বিশ্বকাপে ফাইনাল। লড়াই আর্জেন্টিনা এবং স্পেনের মধ্যে। রাত আড়াইটে-৩টে পর্যন্ত সেই ম্যাচ দেখে সকালে স্কুল যাওয়া কষ্টকর বলেই ছুটি চেয়েছিল ছাত্রছাত্রীরা। তার পরেই সিপিএম নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ভি শিবনকুট্টি সোমবার স্কুল ছুটির দাবি জানিয়েছিলেন। তাঁর প্রস্তাব ছিল, সোমবারের এই ছুটির বদলে স্কুলগুলি কোনও এক শনিবার খোলা রাখা যেতে পারে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে এই দাবিকে সমর্থন করেছিল অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিও। তার পরেই সোমবার স্কুল ছুটির সিদ্ধান্ত নেয় কেরালার কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট সরকার।
ফুটবলপ্রেম
কেরালার বর্তমান স্কুলশিক্ষামন্ত্রী এন সামসুদ্দিন, উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী রোজ়ি এম জন এবং ক্রীড়ামন্ত্রী ও জে জনীশ সকলেই ফুটবলপ্রেমী হিসেবেই পরিচিত। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে কেরালার ফুটবল অনুরাগী মহল।