• বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, আগুনে পুড়ে মৃত্যু অন্তত ৮ শ্রমিকের, আহত ১৫
    এই সময় | ১৮ জুলাই ২০২৬
  • গুজরাটের আমদাবাদে একটি বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। শনিবার দুপুরে রামোল-গাত্রাড রোড সংলগ্ন মহম্মদপুরা এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কারখানার একটি বড় অংশ ধসে পড়ে এবং আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে খবর। ধ্বংসস্তূপের নীচে বহু শ্রমিকের চাপা পড়ার আশঙ্কা। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একইসঙ্গে নিহতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ ও আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    তদন্তে উঠে এসেছে, যে কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছে সেটি বেআইনিভাবে চলচ্ছিল। প্রশাসনের দাবি, ওই ইউনিটের লাইসেন্স আগেই বাতিল করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও সেখানে গোপনে বাজি তৈরির কাজ চলছিল। এই অভিযোগ সামনে আসতেই প্রশাসনের ভূমিকা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে এক্সপ্লোসিভ অ্যাক্ট-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। কী ভাবে লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পরেও কারখানা চালু ছিল এবং নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘন করে উৎপাদন চলছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ জানতে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদেরও ঘটনাস্থলে ডাকা হয়েছে।

    দমকলের কর্মীরা কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও, পুনরায় বিস্ফোরণের আশঙ্কা এড়াতে দীর্ঘ সময় ধরে কুলিং অপারেশন চালানো হয়। ধ্বংসস্তূপে এখনও কেউ আটকে আছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে উদ্ধারকাজও চলতে থাকে।

    এই দুর্ঘটনার পর ফের গুজরাটে অবৈধ বাজি কারখানাগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি রাজ্যে বেআইনি বিস্ফোরক কারখানায় একাধিক দুর্ঘটনার পরেও কী ভাবে এমন ইউনিটগুলি চালু ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বেআইনি বিস্ফোরক কারখানাগুলির বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালানো হবে।

    প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, অন্তত ৮ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

    গুজরাটের আমদাবাদের রামোল-গাত্রাড রোড সংলগ্ন মহম্মদপুরা (মাহমুদপুরা) এলাকায় এই বিস্ফোরণ ঘটে।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বাজি তৈরির সময় শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। সঠিক কারণ জানতে ফরেন্সিক তদন্ত চলছে।

    না। প্রশাসনের দাবি, কারখানাটি বেআইনিভাবে চলছিল এবং এর লাইসেন্স আগেই বাতিল করা হয়েছিল।

    পুলিশ জানিয়েছে, কারখানার মালিকের বিরুদ্ধে এক্সপ্লোসিভ অ্যাক্ট-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

    আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও কুলিং অপারেশন ও ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের খোঁজে উদ্ধারকাজ কিছু সময় ধরে চলেছে।

  • Link to this news (এই সময়)