ঘনঘন দলবদল! এবার ঋতব্রত শিবিরে যোগ প্রাক্তন বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসের
প্রতিদিন | ১৭ জুলাই ২০২৬
একুশে জুলাইয়ের আগে আরও শক্তি বাড়ল ‘আসল’ তৃণমূলের। ভারী হল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। এবার তাঁদের সঙ্গে যোগ দিলেন বনগাঁ উত্তরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস। শুক্রবার বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘরে গিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, আখরুজ্জামান আনসারির সঙ্গে দেখা করে যোগ দিলেন তিনি। এমনিতেই ঘনঘন দলবদলকারী হিসেবে বঙ্গ রাজনীতিতে পরিচিত বিশ্বজিৎ দাস। সেই ধারাই অব্যাহত রাখলেন এবারও। এদিন ‘আসল’ তৃণমূলে যোগ দিলেন রাজারহাট-নিউটাউনের প্রাক্তন বিধায়ক তথা বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস চট্টোপাধ্যায়ও।
বনগাঁর তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ দাস বছর সাত আগে ঘাসফুল শিবির ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন পদ্মশিবিরে। একুশের বিধানসভা ভোটে তিনি বিজেপির প্রার্থী হয়ে বাগদা থেকে জেতেন। তার আগে দু’বার বিধানসভা ভোটে অর্থাৎ ২০১১ ও ২০১৬ সালে বিশ্বজিৎ দাস ছিলেন বনগাঁ উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক। তবে ২০২১-এ বাগদার বিজেপি বিধায়ক হওয়ার পর আর তাঁর মন টেকেনি গেরুয়া ব্রিগেডে। সেবছরই বিধানসভায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে দলে ফেরার আবেদন জানান বিশ্বজিৎ দাস। মমতাও তাঁকে সাদরে গ্রহণ করেন। বাগদার বিধায়ক পদ ছেড়ে আসেন তিনি। বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতির দায়িত্ব দেন তৃণমূলনেত্রী।
২০২৬ সালে ফের বিশ্বজিৎ দাসকে বনগাঁ উত্তরের প্রার্থী করা হয়। কিন্তু তিনি পরাজিত হন বিজেপির অশোক কীর্তনিয়ার কাছে। অশোক কীর্তনিয়া বর্তমানে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী। ভোটে পরাজয়ের পর থেকে আর সেভাবে দেখা যাচ্ছিল না বিশ্বজিৎকে। শুক্রবার আচমকা তিনি বিধানসভায় এলেন। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে গিয়ে দেখা করলেন, কথা বললেন। এই শিবিরে বিশ্বজিতের যোগদান নিয়ে আরও সন্দেহের অবকাশ রইল না। এ বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও বিশ্বজিৎবাবুর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, ‘‘উনি (ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়) সুবক্তা। আমি ওঁর কথাবার্তা শুনি, ভালো লাগে। আজ এসে দেখা করলাম।”