রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের পর বারাসতের কালীপুজোর সমীকরণও কি বদলাতে শুরু করেছে? শহরের পুজো মহলে এখন সেই জল্পনাই তুঙ্গে। এতদিন বড় বাজেটের অধিকাংশ কালীপুজোর নেপথ্যে ছিল তৃণমূল ঘনিষ্ঠ মুখ। সেই আবহেই রথযাত্রার পুণ্যতিথিতে, কালীপুজোর প্রায় চার মাস আগে খুঁটিপুজো সেরে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এল টাকি রোডের শিমুলতলার শ্রীকৃষ্ণপুর সাংস্কৃতিক চক্র। এতদিন তুলনামূলকভাবে প্রচারের বাইরে থাকা এই ক্লাবই এবার প্রায় কোটি টাকার বাজেটে কালীপুজোর প্রস্তুতি শুরু করেছে।
উদ্যোক্তাদের দাবি, ২০২৬ সালের কালীপুজোয় বারাসতের অন্যতম বৃহত্তম আয়োজন হতে চলেছে এটি। ইতিমধ্যেই কলকাতার প্রথম সারির এক থিম শিল্পীর সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। যদিও চমক বজায় রাখতে এখনই থিম প্রকাশ করতে চাইছেন না উদ্যোক্তারা। এই মেগা পুজোর প্রধান পৃষ্ঠপোষক রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের আপ্ত সহায়ক সুবীর শীল। দলীয় সূত্রের দাবি, সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে একাধিক কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ের নেপথ্যে সক্রিয় ভূমিকা ছিল তাঁর।
ফলে এতদিনের অপেক্ষাকৃত অনালোচিত একটি ক্লাবের হঠাৎ কোটি টাকার বাজেটের পুজোয় নামা ঘিরে বারাসতের উৎসব-রাজনীতিতে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। এ দিনের খুঁটিপুজোয় উপস্থিত ছিলেন বারাসতের বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন ক্লাবের সদস্য, এলাকার বিশিষ্টজন এবং স্থানীয়রা। সুবীর শীল বলেন, “আমাদের পুজোর বয়স ৫০ বছর। তবে আশা করি, এ বার বারাসতের সেরা পুজো আমরাই উপহার দেব। আগামী ১৫ আগস্টের পর থিম প্রকাশ করা হবে।”