• ডায়েট ভুলে জিলিপির রসে ডুব, রথে কম খরচে পেটপুজোর সেরা ঠিকানা 'এই' মেলা
    News18 বাংলা | ১৬ জুলাই ২০২৬
  • দক্ষিণ ২৪ পরগনার রথযাত্রা বললেই সবার প্রথমে যে নাম ভেসে ওঠে তা বারুইপুর রায়চৌধুরী বাড়ির রথ। সকাল থেকে এই রথের রশি টানতে হাজার-হাজার মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। এই রথের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাস ও ঐতিহ্য। ১৮৬৫ থেকে ১৮৬৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বারুইপুরের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

    সেই সময় রথ উৎসবে বারুইপুর রাসমাঠে রায়চৌধুরী পরিবারের রথ দেখতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। জনশ্রুতি সেইসময়ে রথের লোহার শিকল টেনেছিলেন তিনি। তৎকালীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়া লোহার শিকল দিয়ে টানা হয় রথ। রথ উৎসবকে কেন্দ্র করে নতুন করে রঙ করা হয়েছে রথ। পরিবারের সদস্য অমিয়কৃষ্ণ রায়চৌধুরী বলেন, সাহিত্য সম্রাট বংঙ্কিমচন্দ্র আমাদের বড় কুঠি গিরিন্দ্র নিকেতনে থাকার সময়ে রথের শিকলে টান দিয়েছিলেন। যা আমাদের গর্বের।

    জমিদার রাজবল্লভ রায়চৌধুরী এই রথ উৎসবের সূচনা করেছিলেন। সম্পূর্ণ নিম কাঠের তৈরী রথ। রথের ১২ টি কাঠের চাকা আছে। যা এখনও পরিবর্তন হয়নি। প্রায় ৩৫০ বছরের প্রাচীন এই রথের লোহার শিকলে একবার হাত দেওয়ার জন্য দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার দূরদূরান্ত থেকে লোকজন চলে আসেন। এই রথ উৎসব কে কেন্দ্র করে প্রায় ২ সপ্তাহ মেলা বসে। জিলিপি, বাদাম, ভুট্টা থেকে শুরু করে এগরোল, চাউমিন – সব দোকানই বসে মেলায়।
  • Link to this news (News18 বাংলা)