• কেন ছাড়লেন তৃণমূল? ‘স্বপ্ন ভাঙা’র গল্প শোনালেন ‘শুভেন্দুদার সাপোর্টার’ রচনা
    প্রতিদিন | ১৬ জুলাই ২০২৬
  • তৃণমূলের ভাঙনের মরশুমে সুর বদল করেছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। হুগলির সাংসদ এখনও হাত ধরেছেন এনসিপিআইয়ের। একদা শাসক শিবিরের ভরাডুবির সময় কেন আচমকা বোধোদয় হল তারকা সাংসদের, নানা মহলে উঠছে সে প্রশ্ন। বুধবার হুগলি জেলাস্তরে দিশা কমিটির অনুষ্ঠানে চুঁচুড়ার রবীন্দ্র ভবনে উপস্থিত ছিলেন রচনা। বিজেপি বিধায়ক সুবীর নাগকে পাশে নিয়ে কারণ ব্যাখ্যা করলেন তিনি।

    রচনার দাবি, “যে স্বপ্ন নিয়ে রাজনীতিতে এসেছিলাম তাতে ব্যাঘাত ঘটেছে। তাই দল পরিবর্তন করেছি। আমরা মোদিজি, অমিত শাহজি, শুভেন্দুদার সাপোর্টার।” তিনি আরও বলেন, “যাঁরা বহু বছর ধরে তৃণমূল করছেন তাঁদের সঙ্গে আমার বক্তব্যের তফাৎ থাকবে। আমি একটা অন্য জায়গা থেকে এসেছি। আমার রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড নেই। আমি যা যা উপলব্ধি করেছি, যে স্বপ্ন নিয়ে এসেছিলাম, সেখানে ব্যাঘাত ঘটেছে বলেই দল পরিবর্তন করেছি। বাকিরা কী মতামত দেবে, সেটা তাদের ব্যাপার।”

    দলবদল করলেও, এই মুহূর্তে হুগলির উন্নয়নই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য বলেই দাবি রচনার। তাঁর কথায়, “কোনও চিন্তাভাবনা নিয়ে রাজনীতিতে আসিনি। এখানে যদি দাদার সহযোগিতা পাই, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর সহযোগিতা পাই, আমাদের হুগলির প্রচুর উন্নয়ন হবে। আমরা সবাই ভারতীয় জনতা পার্টির সাপোর্টার।” আত্মবিশ্বাসী রচনার দাবি, “আমরা জানি ভালো কাজ হবে। আমরা আর কিছু চাই না। আগে কী হয়েছে, কী হত না, সেসব পোস্টমর্টেম করে এখন লাভ নেই। আমাদের লক্ষ্য এখন রাজ্যের উন্নয়ন।”

    তৃণমূলের শহিদ দিবস পালন নিয়ে চলছে জোর দড়ি টানাটানি। সে প্রসঙ্গে মুখ খোলেন রচনা। তাঁর মতে, “একুশে জুলাই ভীষণ আবেগের দিন। এটার মধ্যে ভালো, খারাপ তৃণমূল এসব নেই। এগুলিকে পিছনে ফেলে যাঁরা শহিদ হয়েছিলেন তাঁদের আত্মার শান্তিকামনায় দিনটি পালন করা উচিত।” বলে রাখা ভালো, শর্তসাপেক্ষে তারামণ্ডলের সামনে মমতাপন্থীদের ২১শে সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে হাই কোর্ট। ঋত-তৃণমূলরা আবার গান্ধীমূর্তির পাদদেশে শহিদ স্মরণ করতে চায়। এনসিপিআই-ও শহিদ দিবস পালনে উদ্যোগী।
  • Link to this news (প্রতিদিন)