• ভাঙা ঘরের মাঝে বসে, শূন্য থেকে শুরুর ইঙ্গিত মমতার!
    আজকাল | ১৬ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: একে একে হাত ছাড়ছেন নেতারা। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য থেকে মদন মিত্র, অনুব্রত মণ্ডল। ছেড়ে যাওয়া সঙ্গীদের তালিকা ক্রমে লম্বা হচ্ছে, ছোট হচ্ছে, চারপাশে থাকা মানুষদের বৃত্ত। এই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে, একের পর এক বড় বার্তা মমতার। একদিকে যেমন ভাঙা ঘর নিয়েও, ফিরে আসার বার্তা দিলেন, বার্তা দিলেন লড়াইয়েরও। বললেন, 'যাঁদের যেতে হন যান, যা পড়ে থাকবে সেটাই সোনার খনি, ২০০৪-এ একা থেকে যদি নতুন করে শুরু করতে পারি, ১৯৯-০এ নতুন করে শুরু করতে পারি, ২০২৬-এও নতুন করে শুরু করার ক্ষমতা রাখি। এইটুকু জোর আমার আছে।' 

    মমতার অভিযোগ, তাঁর দলের কর্মীদের এলাকায় মিটিং করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তারপরেই তিনি বলেন, 'যাঁরা এলাকায় মিটিং করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য আমার অফিস উন্মুক্ত আছে। এখান থেকেই আমি তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেছি। ১৯৮৪ সালের সাংসদ হওয়া বা তার আগে থেকে এখান থেকেই কার্যালয় চালাতাম। সেদিন যদি করতে পারি, আজকেও করতে পারব।' পুলিশকেও একহাত নেন। বলেন, 'আইসি হয়েছেন বিজেপির ব্লক সভাপতি, এসপিরা হয়েছেন বিজেপির জেলা সভাপতি। তাঁরা এলাকায় এলাকায় গিয়ে বিধায়কদের, কর্মীদের ভয় দেখাচ্ছেন।' মমতার অভিযোগ, শিবির বদলের ভয় দেখানো হচ্ছে জোর করে। 

    শুধু এটুকুই নয়, মমতা এদিন বলেন, 'আজকে যদি সেটিং আমি নিজে করে নিতাম, তাহলে তো এই অত্যাচার আমাদের সহ্য করতে হতো না। কিন্তু আমি কোনওদিন আদর্শ বিকিয়ে খাই না, মূল্যবোধ বিকিয়ে খাই না।' একের পর এক সঙ্গ ছাড়ার মাঝে তিনি বললেন, 'মানুষই আমাদের জাগত শক্তি, যে হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ কর্মীরা এখনও আছে, তাঁরাই আমার সোনার কর্মী।'

    তারপরেই 'বেইমান' প্রসঙ্গ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গলায়। বললেন, 'আমাদের অনেক শিক্ষা হয়েছে। মানুষের কাছে ক্ষমা চাইছি বেইমানদের জন্য। আমাদের প্রতীকে আপনারা তাঁদের জিতিয়েছেন। এদের অনেকের অনেক লাগেজ-ব্যাগেজ আছে। আমাদের আগে রিপোর্ট করেনি। এখন সেই অজানা সত্যিগুলো জানতে পারছি।'

    অন্যদিকে গত কয়েকদিন ধরেই দলের প্রতীক-তহবিল-নাম নিয়ে তুমুল চর্চা, জল গড়িয়েছে কমিশন পর্যন্ত, তারমাঝেই প্রতীক প্রসঙ্গ মমতার মুখে। বললেন, '১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি আমরা প্রতীক পাই। ১ মাসের ২২ দিনের মাথায় নির্বাচনে লড়াই করেছি। ৮ এমপি ছিল। ১৯৯৯ সালে ফের লোকসভা নির্বাচন হয়। আমরা ৯ জন হই। ২০০৪ সালে একা হয়ে গিয়েছিলাম। লড়াই করে গিয়েছি। এখন রাজ্যসভায় ১০ জন। লোকসভায় ৮ জন এমপি আছে।” এরপরই তিনি বলেন, “যারা যাওয়ার চলে যাক। ১৯৯৭-৯৮ সালে লড়াই করতে পারলেও ২০২৬ সালেও শুরু করার ক্ষমতা রাখি।

     
  • Link to this news (আজকাল)