• 'আমি কার জন্য জেলে গেলাম?', বিস্ফোরক অনুব্রত
    আজকাল | ১৬ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূলে আছেন। তবে মমতা শিবিরে নেই। হাত ধরেছেন ঋতব্রতর। আগেই ঋতব্রত তৃণমূলের এজলার দায়িত্ব পেয়েছেন। এবার, সশরীরে কলকাতায়। এসেই বিস্ফোরণ। সোজা নিজের কারাবাসের জন্য আঙুল তুলে দিলেন অভিষেক ব্যানার্জির দিকে। 

    এর আগেই, ঋতব্রত শিবিরে অনুব্রত যোগ দেওয়ার পরেই, বীরভূমের সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বানানো হয় তাঁকে। ১১ জুলাই যে তালিকা ঋতব্রত শিবির প্রকাশ করে, তাতে নাম ছিল অনুব্রতর। বুধবার তিনি কলকাতায় আসতেই, তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি  কি মমতার হাত ছাড়লেন? তিনি সাফ জানালেন, মমতার হাত ছেড়েছেন, কিন্তু রয়েছেন তৃণমূলের। 

    তারপরেই একপ্রকার বিস্ফোরণ। অভিষেককে সোজাসুজি কড়া আক্রমণ অনুব্রতর। সংবাদমাধ্যমের সামনেই বলেন, আমি কার জন্য জেলে গেলাম?' তারপরেই সোজা অভিষেকের নাম অনুব্রতর মুখে।

    মমতা ব্যানার্জিকে নিজেও এদিন ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বলেন, 'চারবার ফোন করেছিলেন নির্বাচনে হারার পর। আমি বললাম, চোখে দেখো না তুমি, কানে দেখো।' 

    অন্যদিকে, ঋতব্রত ব্যানার্জি অনুব্রত মণ্ডলকে পাশে বসিয়ে সাফ জানান, তিনি বীরভূমের দাপুটে নেতাকে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হিসেবেই মনে করছেন। একেবারে ফুটবলের কথা মনে পড়িয়ে জানান, 'অনুব্রত মণ্ডল আমার কাছে মেসি-রোনাল্ডো নন, আর নাইন আমার কাছে।'  

    উল্লেখ্য, বুধবারেই নিজের জেল যাওয়ার প্রসঙ্গ উঠে এসেছে মদন মিত্রর গলায়। একইসঙ্গে তিনিও তীব্র কটাক্ষ করেছেন অভিষেককে। মদন বলেন, 'আমারতো ইডির থেকে ভয় ছিল বেশি। ইডি ধরলে তবু কথা বলে জিজ্ঞাসা করবে। এখানে এবি কখন কোথায় তাড়িয়ে দেবে, ভগবান জানে!' এখানেই শেষ নয়, মদন আরও বলেন, 'অভিষেক ব্যানার্জি জীবনে যায়নি, আমি ২৭ মাস জেলে ছিলাম। দলের বিরুদ্ধে বলিনি।'  

    এর আগে, মঙ্গলবারেই স্বর্ণকমল সাহার বাড়িতে পৌঁছে যান মদন মিত্র। কয়েক মিনিট ছিলেন সেখানে। জল্পনা তখন থেকেই শুরু হয়, তাহলে কি এবার মমতার একেবারে শুরুর দিকের সঙ্গীও হাত ছাড়ছেন? জল্পনা সত্যি হল, বুধবার সকালেই। এদিনই সোজা বিধানসভায় পৌঁছে যান মদন মিত্র। সেখানে কবিতা আওড়ে বোঝান জীবনের কোন পরিস্থিতিতে এখন দাঁড়িয়ে রয়েছেন তিনি। সেই সময় মদনের পাশে ছিলেন ঋতব্রত ব্যানার্জি, সন্দীপন সাহা, শিউলি সাহাও। ২১ জুলাই শহিদ দিবসের কর্মসূচিতে মদন মিত্র ঋতব্রত শিবিরে থাকবেন বলেও জানিয়েছেন। 

     
  • Link to this news (আজকাল)