আজকাল ওয়েবডেস্ক: হাওড়া বা শিয়ালদা থেকে অসম যাওয়ার একাধিক ট্রেন রয়েছে। সড়ক পথেও যাওয়া যায়। কিন্তু তা কষ্টসাধ্য, কারণ সরাসরি বাস ছিল না। বাসে করে যেতে হলে মাঝপথে বদল করতে হতো বাস।
ট্রেনের সফর নিঃসন্দেহে আরামদায়ক, কিন্তু বেশিরভাগ সময় টিকিট পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে অনেকে একাধিক বাস বদল করে কলকাতা থেকে অসম গিয়েছেন। এই সমস্যা আর নয়। এখন থেকে এক বাসেই কলকাতা থেকে সোজা অসম। মাঝে দরকার পড়বে না কোনও বাস পরিবর্তন।
অসমের ধুবড়ি থেকে শুরু হয়েছে কলকাতায় আসার বাস পরিষেবা। এসি বাসে যাতায়াত কষ্ট কম হবে। ধুবড়ি থেকে কলকাতা বাস পরিষেবা এই প্রথম। অসম থেকে কলকাতা, মাঝের রাস্তাটা কম নয়, তাই বাসে থাকছে ট্রেনের মতো সুবিধাযুক্ত বায়ো টয়লেট। যারা বসে বা কম দূরত্ব পর্যন্ত সফর করতে চান, তাদের জন্য থাকছে সিটার এবং যারা অনেকটা দূর ভ্রমণ করবেন, বা একটু বেশি স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াত করতে চাইছেন, তারা স্লিপারের জন্য টিকিট কাটতে পারেন। সিটার ও স্লিপারের জন্য ভাড়া আলাদা হতে পারে, টিকিট কাটার সময় ভাড়া তুলনা করে তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন। অসম থেকে কলকাতার দূরত্ব অনেকটা, মাঝে একাধিক বড় জায়গায় থামবে বাস।
ধুবড়ি থেকে ছাড়ার পর বাস প্রথম থামবে তুফানগঞ্জ। তুফানগঞ্জ হয়ে বাস দাঁড়াবে কোচবিহার, তারপর শিলিগুড়ি, সবার শেষে কলকাতা। ফেরার ওই একই পথে: কলকাতা - শিলিগুড়ি - কোচবিহার - তুফাঙ্গঞ্জ - ধুবড়ি।
মোট যাত্রা পথ ৮০০ কিলোমিটারের বেশি। ফলে যাতায়াতের সময় লাগবে অনেকটা। ধর্মতলা থেকে বাস ছাড়ার সময়সূচি: কলকাতা (ধর্মতলা) থেকে ছাড়বে - বিকেল ৪.৪৫, শিলিগুড়ি থেকে ছাড়বে - সকাল সাড়ে ৬টা, জলপাইগুড়ি বাইপাস থেকে ছাড়বে - সকাল ৭ টা, ধুপগুড়ি থেকে ছাড়বে - সকাল ৭টা ৪৫। অসম থেকে বাস ছাড়ার সময়সূচিঃ ধুবড়ি থেকে ছাড়বে - দুপুর ২টো, তুফানগঞ্জ থেকে ছাড়বে - বিকেল ৩ টে, কোচবিহার থেকে ছাড়বে - বিকেল ৪টে, শিলিগুড়ি থেকে ছাড়বে - সন্ধ্যা ৮টা।