ঋতব্রত শিবিরে গেলেও মানছেন মমতাকে! অনুব্রতর কার্যালয় থেকে ‘আউট’ অভিষেকের ছবি
প্রতিদিন | ১২ জুলাই ২০২৬
শিবির বদলাতেই কার্যালয় থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দিলেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ছেড়ে তিনি চলে গিয়েছেন ঋতব্রতপন্থী শিবিরে। শিবির বদলের পর শনিবারই তাঁকে বীরভূম জেলার দায়িত্ব দিয়েছে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল। আর রবিবারই বোলপুরে তাঁর পার্টি অফিস থেকে অভিষেকের ছবি সরিয়ে দেওয়া হল। কিন্তু রয়েছে মমতার ছবি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই জল্পনা ছড়িয়েছে। তাহলে কি ঋতব্রত শিবিরে গেলেও তিনি মমতাকে মানছেন? সেই প্রশ্নই উঠেছে।
বোলপুরে নিচুপট্টিতে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূলের কার্যালয় রয়েছে। কার্যালয়ে ঢোকার মুখে ছিল মমতা ও অভিষেকের ছবি। কিন্তু রবিবার দেখা যায়, মমতার ছবি থাকলেও অভিষেকের সব ছবি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। শিবির বদলের পরেই দলের ভরাডুবির কারণ হিসেবে আইপ্যাককে দায়ী করেছিলেন অনুব্রত। এবার অফিস থেকে অভিষেকের ছবি সরানোয় জল্পনা, তাহলে কী অভিষেকের উপর রাগ করেই শিবির বদলের সিদ্ধান্ত নিলেন মমতার প্রিয় কেষ্ট? তবে তিনি মমতাকে যে মানছেন তা স্পষ্ট। কারণ অভিষেকের ছবি সরালেও কার্যালয়ে রয়েছে মমতার একাধিক ছবি।
আইপ্যাকের বিরুদ্ধে বলতে গিয়ে অনুব্রত আদপে অভিষেককেই নিশানা করেছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ অভিষেকের হাত ধরেই এসেছিল আইপ্যাক। এনিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে কেষ্ট বলেন, ‘‘বিধানসভা এবং লোকসভা ভোটে প্রার্থীদের জয়যুক্ত করিয়েছি। তখন আইপ্যাক ছিল না। কী এমন হল যে আমাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল? আমি তৃণমূলকে ভালোবাসি। কংগ্রেস থেকে তৃণমূল হয়েছি। সকলকে নিয়েই দলের নির্দেশ মেনেই টিম বীরভূম পরিচালনা হবে।”
ছবি সরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “অভিষেকের ছবি কোনওদিন চোখে পড়েনি। আমার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি থাকলে নিশ্চয়ই সরানো হবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তো ছবি রয়েছে। আমি ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ছেড়েছি, কিন্তু এখনও আমার বাড়িতে রাজীব গান্ধি, ইন্দিরা গান্ধির ছবি রয়েছে। মমতার ছবিও থাকবে।”