যে কমিটিতেই থাকুক না কেন, উনি গ্রেপ্তার হবেন। তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ সম্পর্কে সেই কথাই জানিয়েছেন রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং। আইন আইনের মতো চলবে। পুলিশ পুলিশের কাজ করবে। সেই কথাই জানিয়েছেন অর্জুন। প্রসঙ্গত, গতকাল, শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসের ঋতব্রত শিবিরের বৈঠকে হঠাৎ করেই উপস্থিত হয়েছিলেন তৃণমূল নেতা, পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ। ওই শিবিরের নেতাদের মধ্যেও তাঁকে দেখে অস্বস্তি দেখা দিয়েছিল বলে অন্দরের খবর।
আর জি কর মামলার ফাইল খুলেছে রাজ্যে পালাবদলের পরে। পানিহাটির তৎকালীন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকাও চর্চায় রয়েছে। নির্যাতিতা চিকিৎসক তরুণীর মৃতদেহ পানিহাটি শ্মশানে দ্রুত পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল নির্মলের বিরুদ্ধে। রাজ্যে পালাবদলের পরে একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে। নির্মলের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষ এবার পানিহাটি বিধানসভা এলাকার তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন। বিজেপির তরফে প্রার্থী হয়েছিলেন রত্না দেবনাথ। রত্নার কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছেন তীর্থঙ্কর।
নির্মল ও তীর্থঙ্করের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসার পর পুলিশ দু’জনকেই খুঁজছে। তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকেই বাবা-ছেলে গা ঢাকা দিয়েছেন। সেই আবহে গতকাল ঋতব্রত শিবিরের বৈঠকে অযাচিতভাবেই উপস্থিত হয়েছিলেন নির্মল। কিছু সময়ের মধ্যেই এলাকা ছাড়েন তিনি। ঋতব্রত শিবির যে তাঁকে সঙ্গে নেওয়ার জন্য ডাকেনি, সেই কথা জানিয়েও দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, গতকাল জনসমক্ষে গেলেও তারপর থেকে আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না নির্মলের। তিনি ফের গ্রেপ্তারির ভয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন, এমন আশঙ্কাও করা হচ্ছে। সেই আবহে বেপাত্তা নির্মল সম্পর্কে কটাক্ষ করেছেন মন্ত্রী অর্জুন সিং। তাঁর পরিষ্কার বার্তা, “উনি যার সঙ্গেই থাকুন, যে কমিটিতেই থাকুন না কেন, গ্রেপ্তার হবেন।”