উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন চিকিৎসক হরেকৃষ্ণ বেরা
দৈনিক স্টেটসম্যান | ১২ জুলাই ২০২৬
দৈনিক স্টেটসম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি জানান সপ্তাহের শনি ও রবিবার ফ্রি ক্লিনিক করছেন তার নিজের কেন্দ্র তমলুকে।
উত্তর – সব মিলিয়েই জীবন। সামলাতে হবে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আর দলের ভরসা আমার ওপর। ভরসা যখন করেছেন ওনারা আমাকেও সামলাতে হবে। নিউ এডুকেশন পলিসি বঙ্গে ছিল না এতদিন। এইবার থেকে কার্যকর হবে। উচ্চশিক্ষায় বেশ কিছু বদল আনার ভাবনাচিন্তা রয়েছে। সমস্তটা এখনি বলা সম্ভব হচ্ছে না। সময় আসলে সবটা জানাব। সময় লাগবে ঠিকই কিন্তু ত্রুটিমুক্ত করতে হবে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে। তার জন্য যা যা করার সবটা করছি।
উত্তর – না,একদমই না। আমি মানুষের সেবায় আগে থেকেই নিয়োজিত। চিন্তা ছিল। হয়ত আর রোগী দেখতে পারব না। কিন্তু পরে ভাবলাম না এটাকে ভুললে চলবে না। সপ্তাহে শনিবার এবং রবিবার সকালের দিকে আমার ফ্রি ক্লিনিক রয়েছে। আমি সেইভাবেই ভেবেছি। তবে আগে থেকে নাম লেখাতে হবে, আর সীমিত রোগীই দেখব। এর জন্য আমি কোন ফি নিচ্ছি না। আসা করি যত দায়িত্বই থাকুক এটা চালিয়ে নিয়ে যেতে পারব। তবে শনিবার,রবিবার যদি ব্যস্ততা থাকে সেটা ফোনের মাধ্যমে রোগীকে আগে থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়। আর সেক্ষেত্রে সপ্তাহের অন্য দিনে যেদিন আমি ব্যস্ত থাকব না,সেদিন রোগীদের জানিয়ে দি।
উত্তর – ডক্টর বিধানচন্দ্র রায় তিনি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তার জীবনী পরেছি। তিনিও তো ফ্রি ক্লিনিক করতেন। তাকে যখন মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছিল তখন অবস্থা জটিল ছিল। ওনার তুলনায় তো আমি কিছুই নই। আমার মনে হয়েছে অন্তত ফ্রি ক্লিনিকের ব্যবস্থাটুকু আমার করা উচিত।