• মমতার ধাঁচেই কমিটি ঋতব্রতর, কড়া আক্রমণ কুণালের!
    আজকাল | ১২ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: পরিকল্পনা মাফিক, শনি সন্ধেয় বেশকিছু সাংগঠনিক জেলার সভাপতির নাম ঘোষণা করেছে ঋতব্রত-তৃণমূল। নাম জানানো হয়েছে মুখপাত্রদেরও। মমতার ধাঁচেই কমিটি সাজিয়েছেন ঋতব্রত! ঠিক তার ঘণ্টাখানেক পর, সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো কড়া আক্রমণ, বেলেঘাটার বিধায়কের। 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় কুণাল মমতাকে সামনে রেখেই, আক্রমণ শানিয়েছেন টিম ঋতব্রতকে। কী লিখেছেন? লিখেছেন- 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম সরিয়ে, ছবি বাদ দিয়ে যে বা যারা 'আসল তৃণমূল' সাজছেন, তাঁরা এই মহিলাকে এখনও ঘুরিয়ে ব্যবহার না করে নিজেরা পুরো আলাদা দল গড়ে মানুষের ভোটে জিতে এসে বড় বড় কথা বলছেন না কেন? ফেসবুকে দুএকটা পোস্ট দেখছি, এতকাল পর মমতাদির ছবি ছাড়া স্টিকার, কে কী পদ পেলেন। বিবেক, লজ্জা বলে কিছু নেই? এক একটা নাম দেখুন। মমতাদি মুখ্যমন্ত্রী থাকলে এদের কী কী ভূমিকা ছিল বা হত ভেবে নিন। বাকিটা সময়, মানুষ আর দলের কর্মীদের বিবেচ্য।'

    এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, মমতা ক্যাবিনেটে জায়গা পাওয়া তাবড় তাবড় মন্ত্রীরা ইতিমধ্যেই তাঁর হাত ছেড়ে, ঋতব্রত শিবিরে ভিড়েছেন। তালিকা লম্বা। যাঁরা দলের দুর্দিনে নেত্রীর হাত ছাড়ছেন, তাঁদের ক্রমাগত বাক্যবাণে বিদ্ধ করছেন কুণাল, গত কয়তেকদিন ধরেই। 

    অন্যদিকে, দলের প্রতীক-নাম-তহবিল কার হাতে থাকবে, কমিশনের কাছে নথি জমা দিয়েই, উত্তরের আগেই বিরাট সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঋতব্রত। শনির বৈঠক শেষে ঋতব্রত শিবিরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জেলার সভাপতিদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন এই তালিকায় হাওড়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অরুণাভ সেনকে, পশ্চিম মেদিনীপুরের সভাপতি হয়েছেন প্রদীপ সরকার এবং ঘাটালের সাংগঠনিক প্রধান করা হয়েছে সঞ্জয়কে। পাশাপাশি বাঁকুড়ার দায়িত্ব পেয়েছেন রথীন ব্যানার্জি, পুরুলিয়ায় উজ্জ্বল কুমার, পূর্ব বর্ধমানে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং পশ্চিম বর্ধমানে নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। কলকাতার বুকেও নিজেদের সংগঠন মজবুত করতে উত্তর কলকাতার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সন্দীপন সাহাকে এবং দক্ষিণ কলকাতার সভাপতি করা হয়েছে দেবাশিস কুমারকে। এছাড়া ডায়মন্ড হারবারে শুভাশীষ দাশ, সুন্দরবনে গণেশ মণ্ডল এবং হাওড়া সদরে সৃষ্টিধর ঘোষ সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। একই সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের সামনে দলের বক্তব্য তুলে ধরার জন্য সন্দীপন সাহা, আখরুজ্জামান, কোহিনুর মজুমদার ও সুদীপ রাহাকে, প্রসূণ ব্যানার্জি-সহ মোট আট জনকে মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।  তারপরেই কড়া আক্রমণ করে কুণাল লিখেছেন, 'ফেসবুকে দুএকটা পোস্ট দেখছি, এতকাল পর মমতাদির ছবি ছাড়া স্টিকার, কে কী পদ পেলেন। বিবেক, লজ্জা বলে কিছু নেই?' 
  • Link to this news (আজকাল)