• জমি সমস্যা নয়, ১০০ কোটির বিনিয়োগে লাগবে না স্থানীয় অনুমোদনও, শিল্পায়নের লক্ষ্যে বড় বার্তা শুভেন্দুর
    এই সময় | ১১ জুলাই ২০২৬
  • সরকার বদলেছে। বদলাবে রাজ্যের শিল্পায়নের চিত্র? জমি নিয়ে সমস্যা, স্থানীয় স্তরে কাটমানি, প্রশাসনের অসহযোগিতা-সহ একগুচ্ছ অভিযোগ তোলা হতো গত সরকারের আমলে। সেই সব সমস্যা নিরসন করে পশ্চিমবঙ্গকে গুজরাট, তামিলনাড়ুর সমতুল্য ‘শিল্পবান্ধব’ রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হুগলির ডানকুনিতে লাক্স কোজ়ি ইন্ডাস্ট্রির দ্বিতীয় ইউনিটের উদ্বোধনে হাজির হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, রাজ্যে শিল্পপতিদের জন্য জমির কোনও সমস্যা হবে না। পাশাপাশি, কোনও জায়গায় একশো কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ হলে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ স্তরে কোনও অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা পড়বে না সেই শিল্পগোষ্ঠীকে।

    রাজ্যের জমি নীতি নিয়ে এ দিনের সভায় শুভেন্দু বলেন, ‘আমরা ২০১৩ সালের জমি ক্রয় নীতি গ্রহণ করেছি। আমরা চাই না, আরেকটা সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম হোক। আমরা ডাইরেক্ট ল্যান্ড পারচেজ় পলিসি চালু করেছি। সেই পলিসিতে আমরা বিএসএফকে জমি দিচ্ছি, রেলকে জমি কিনে দিচ্ছি, নতুন এয়ারপোর্টের জন্য জমি দিচ্ছি, একই ভাবে যে শিল্পপতিরা এখানে বিনিয়োগ করতে চান, তাঁদের জন্য জমি কোনও সমস্যা হবে না। আমরা ডাইরেক্ট ল্যান্ড পারচেজ় স্কিমে জমি কিনে আপনাদের হস্তান্তর করব।’

    শিল্পপতিদের নতুন ইউনিট তৈরি, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বাধা হয়ে দাঁড়ায় স্থানীয় স্তরের সমস্যা। জেলা বা গ্রামীণ প্রশাসনের ঘেরাটোপে পড়ে নাজেহাল হতে হয় শিল্পপতিদের। এই ক্ষেত্রে বড় ঘোষণা করেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘১০০ কোটি টাকার বেশি যাঁরা বিনিয়োগ করবেন, কোনও পঞ্চায়েত, পুরসভা, কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে অনুমোদন নিতে হবে না। যত গন্ডগোল ওইখানে। যত দাদাগিরি, হেনস্থা ওই খানে।’ এই সব বিনিয়োগকারীদের জন্য ‘সিঙ্গল উইন্ডো সিস্টেম’-এর মধ্যে WBIDC, ল্যান্ড ডিপার্টমেন্ট, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ ছাড়পত্র বা প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেবে।

  • Link to this news (এই সময়)