E20 জ্বালানিতে কমবে মাইলেজ, নাও কমতে পারে দাম! মেনেও ‘লাভ’ বোঝাল কেন্দ্র
প্রতিদিন | ১১ জুলাই ২০২৬
ইথানল মিশ্রিত পেট্রল বা E20 নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে আসরে কেন্দ্র। E20 নিয়ে যে সব অভিযোগ বা আশঙ্কা গাড়ির মালিকদের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে সেটা কিছুটা হলেও মেনে নিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। তবে সরকারের দাবি, সার্বিকভাবে এই ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি গাড়ির মালিকদের জন্য লাভজনকই।
কেন্দ্র মেনে নিয়েছে, ই-২০ পেট্রোল কিছু গাড়ির মাইলেজ ৩-৫ শতাংশ কমাতে পারে। শুধু মাইলেজ কমার স্বীকারোক্তিই নয়, আমজনতা যে এই জ্বালানিতে দামেও বিশেষ স্বস্তি পাবে না সেটাও মেনে নিয়েছে সরকার। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ই-২০ জ্বালানির দাম যে সাধারণ পেট্রলের চেয়ে সবসময় কমই হবে, এমনটা নিশ্চিত ভাবে বলা যায় না। কারণ, ইথানল মিশ্রিত পেট্রলের দাম শুধু আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দামের উপর নির্ভর করবে না। সেটা নির্ভর করবে বাজারে ইথানলের দামের উপরও। ইথানল এমন একটি মূল্যে সংগ্রহ করা হয় যা কৃষকদের জন্য লাভজনক হবে। ফলে অশোধিত তেলের দাম কম হলেও ইথানলের দাম না কমলে পেট্রলের দাম কমবে না।
পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সাফ বলে দিচ্ছে, সাধারণ মানুষের জন্য পেট্রল পাম্পে জ্বালানির দাম কমানোটা E20 চালুর উদ্দেশ্যই নয়। এর মূল উদ্দেশ্য হল বিদেশ থেকে আমদানি করা অশোধিত তেলের উপর ভারতের নির্ভরতা কমানো। এবং জ্বালানি আমদানিতে দেশের খরচ কমানো। তবে এই জ্বালানি চালু হলে দেশের বাজারে জ্বালানির দামে সুস্থিতি বাড়বে বলেও দাবি করছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক।
কিন্তু এসবের পরও কেন্দ্রের দাবি, এই নয়া জ্বালানির প্রভাবে ক্ষতির চেয়ে সুবিধাই বেশি। কারণ এর বিনিময়ে উন্নত কর্মক্ষমতা, কম দূষণ এবং ইঞ্জিন ভালো রাখার একাধিক সুবিধা পাওয়া যাবে। শুক্রবার এক বিবৃতি দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। সরকারের দাবি, ই-২০ জ্বালানির অকটেন রেটিং বেশি হওয়ায় এটি উন্নত অ্যান্টি-নক বৈশিষ্ট্য, দ্রুত দহন, ভালো পিক-আপ, মসৃণ অ্যাক্সেলারেশন এবং ইঞ্জিনকে আরও পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।