ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতি তৈরি হয়েছিল জুনে। ১০ জুলাই সেই জাতীয় কর্মসমিতি নতুন করে মিটিংয়ে বসেছে। দুই দিনের মিটিংয়ের প্রথম দিনে রাজ্য তৃণমূল এবং তৃণমূলের শাখা সংগঠনগুলির নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করল ঋতব্রত-গোষ্ঠী।
ঋতব্রতপন্থী জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য করা হলো চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে। তিনি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতির দায়িত্বেও এলেন। স্নেহাশিস চক্রবর্তী জাতীয় কর্মসমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে এসেছেন। রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র। রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি পদে আনা হয়েছে জাভেদ খানকে।
তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে আনিসুর রহমান বিদেশ, তিনি দেগঙ্গার বিধায়ক। ওই সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি হয়েছেন সৌরভ বসু। রাজ্য মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি হয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন। ওই সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি হয়েছেন শিউলি সাহা।
রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের চেয়ারম্যান পদে বসানো হয়েছে কোহিনূর মজুমদারকে। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি রয়েছেন সুদীপ রাহা। INTTUC রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে নির্জ্জ্বল দে। তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতি হয়েছেন বাহারুল ইসলাম। কিসান ক্ষেত মজদুরের রাজ্য সভাপতি হয়েছেন নিশীথ কুমার মালিক। এসসিএসটি সেলের রাজ্য সভাপতি হয়েছেন আশিষ মার্জিত।
আগামী দিনে জেলা কমিটি গঠন করা হবে, এমন ইঙ্গিত দিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুব্রত মণ্ডল কি তাঁদের শিবিরে যোগ দিচ্ছেন? সাংবাদিকদের প্রশ্নে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘কেষ্টদার সঙ্গে নিয়মিত কথা হয়। রেজ়াল্ট বেরনোর পরে ৩০ বার কথা হয়েছে। কেষ্টদার সঙ্গে সম্পর্ক ব্যক্তিগত। কেষ্টদাকে নেতা মানি, দক্ষ সংগঠক। ওঁর সঙ্গে ব্যক্তিগত স্তরে কী কথা হয়েছে, সেটা প্রকাশ্যে বলব না।’ তারপরেই আখরুজ্জামান বলেন, ‘কাল পর্যন্ত অপেক্ষা করুন... দুধ-জল আলাদা হয়ে যাবে।’