• কমলের 'কামাল' শেষ, রিষড়ায় দাদাগিরিতে কড়া রাশ
    আজকাল | ১১ জুলাই ২০২৬
  • মিল্টন সেন, হুগলিঃ কখনও ব্যাঙ্ক, কখনও সোনার দোকান আবার কখনও পেট্রল পাম্প। তোলাবাজি, ডাকাতি, খুন-সহ একাধিক অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। শেষমেশ, হুগলির কুখ্যাত দুষ্কৃতি কমল দেব পুলিশের জালে। হাওড়া থেকে তাঁকে ধরল রিষড়া থানার পুলিশ।

    রিষড়া থানা সূত্রে খবর, খুন,তোলাবাজি,ডাকাতি-সহ বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত এই কমল। একসময় রিষড়া নতুনগ্রাম এলাকার ত্রাস ছিল উৎপল আর কমল।

    বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রিষড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক পরমেশ্বর প্রামাণিকের নেতৃত্বে বিরাট পুলিশ বাহিনী হাওড়ার লিলুয়া ফাঁড়ি এলাকার জগদীশপুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

    গত ৩০ শে জুন রিষড়া বাঙুর পার্কের পিছনে নেলকো কারখানার পাশে কমলের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের দুষ্কৃতী দল আগ্নেয়াস্ত্র-সহ জড় হয়েছিল। অপরাধমূলক কাজ করার উদ্দেশ্য ছিল তাঁদের। তখনই পুলিশ খবর পেয়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে কমল-সহ কয়েকজন সেদিন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গিয়েছিল।

    সেই সময় ধৃতদের মধ্যে রহিত শর্মা স্বীকার করেন, কমল তাঁকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলি দিয়েছিল। এরপরেই পুলিশ কমলের খোঁজ শুরু করে। কোন জায়গায় সে যায়, কোথায় কোথায় তাঁর ঠেক-এসব জানার পরই গতকাল জগদীশপুরে অভিযান চালায় পুলিশ। তারপরই হাতেনাতে ধরা পড়ে কমল।

    আজ তাঁকে দশ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন করে শ্রীরামপুর মহকুমা আদালতে পাঠানো হয়। মূলত হেফাজতে নিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার এবং পলাতক বাকী সহযোগীদের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি চালাবে বলে জানা গিয়েছে। 

    অন্য দিকে, আজই অন্য একটি ঘটনায় বৈঁচি থেকে সোনা ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে উত্তরাখন্ড থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে মূল অভিযুক্ত। ধৃতকে দশ দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে  শুক্রবার বেলা বারোটা নাগাদ চুঁচুড়া আদালতে পাঠিয়েছে পান্ডুয়া থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৩ শে জুন তারিখে বৈঁচি মোমলেজপুরের বাসিন্দা গণেশ সরকার নামে এক ব্যক্তি পান্ডুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। 
  • Link to this news (আজকাল)