Big Breaking: বিজেপিতে যোগ দিয়েই রাজ্যসভার টিকিট পেলেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইক। ৯ জুলাই, বৃহস্পতিবার সল্টলেকের বিজেপির অফিসে এসে দলে যোগ দেন এই তিন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁদের রাজ্যসভায় প্রার্থী করার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিজেপি। এ দিন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিকে এই তিন জন বিজেপিতে যোগ দেন।
রাজ্যসভার উপনির্বাচনে প্রার্থী হলেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক। বাংলা থেকে রাজ্যসভার উপনির্বাচনে এই তিন জনকে প্রার্থী করল বিজেপি। বৃহস্পতিবার বিজেপিতে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা করেন সুখেন্দুশেখর রায়। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কাজের প্রশংসা শোনা গিয়েছে সুস্মিতা দেবের মুখেও।
সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক তিন জনেই তৃণমূলের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন। রাজ্যে পালাবদলের পরে মুখ খোলেন সুখেন্দুশেখর রায়। রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়েন তিনি, দলের দায়িত্বও ছেড়ে দেন। পরে একই পথে হাঁটেন সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক।
তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়ে রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়া নিয়ে মুখ খুলেছেন মমতাপন্থী তৃণমূল নেত্রী দোলা সেন। তিনি বলেন, ‘এটা গণতান্ত্রিক দেশ, তাঁরা যা চাইছেন করতে দিন। কিছু যায় আসে না। ভয় হতে পারে, লোভ হতে পারে। আমি জানি না। জনতাও এর জবাব দেবে... মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের বেছে নিয়ে জনতাকে বলেন ভোট দিতে। তবেই আমাদের ভোট দিয়ে সাংসদ-বিধায়ক বানান জনগণ।’
পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় ১৬টি পদ। জুন মাস থেকে চারটি খালি হয়েছে। তৃণমূলের টিকিটে কোয়েল মল্লিক এবং এই তিন জন জিতেছিলেন। এই চারজন পদত্যাগ করেছিলেন। তার মধ্যে তিন জন অর্থাৎ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক।