আজকাল ওয়েবডেস্ক: বারুইপুর থেকে উদ্ধার হয়েছে নাবালিকার দেহ। নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য। তার মাঝেই বারুইপুর থেকেই উদ্ধার অপর এক দেহ। এসবের মাঝেই দেহ উদ্ধার হল অশোকনগরের জলাশয়ে।
অশোকনগরের জলাশয় থেকে উদ্ধার মহিলার দেহ। প্রাথমিকভাবে ওই মহিলার পরিচয় পাওয়া না গেলেও, পরে জানা যায় ,ঋতার নাম রিঙ্কু। অশোকনগর থানার অন্তর্গত গুমা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের তাজপুর এলাকায় ক্যাফের পাশের হাঁটু-জল থাকা জলাশয় থেকে ওই মহিলার দেহ উদ্ধার হয়। মৃত্যুর কারণ কী? তদন্তে নেমেই উঠে আসে অবাক করা তথ্য।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, অবৈধ সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেই খুন। জানা গিয়েছে, মৃত রিঙ্কু কল্যাণগড় বাজার এলাকার বাসিন্দা। মৃত্যুর তদন্তে নেমেই সামনে আসে কুতুবুদ্দিনের নাম। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, গত সাত-আট বছর ধরে কুতুবউদ্দিন দফাদারের সঙ্গে রিঙ্কুর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ঘটনার আগে ওই এলাকায় দু'জনের একাধিকবার দেখা করার তথ্য তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে খবর সূত্রের।
এরপরই পুলিশ কুতুবউদ্দিন দফাদারকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দীর্ঘদিনের সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেই এই খুন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের দাবি, গত ৩ জুলাইয়ের আশপাশে রাতে নির্জন ওই রাস্তায় দেখা করেন তাঁরা। তখনই দু'জনের মধ্যে বচসা বাধে। সেই সময় রিঙ্কু দাসের গলায় থাকা ওড়না পেঁচিয়ে তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়। পরে প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে দেহ পাশের জলাশয়ে ফেলে রেখে অভিযুক্ত সেখান থেকে বাড়ি চলে যান। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, রিঙ্কু দাস অশোকনগরে একটি ভাড়া বাড়িতে একাই থাকতেন। স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তাঁরা আলাদা থাকতেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। তবে কুতুবউদ্দিনের সঙ্গে সম্পর্কের ঠিক কোন কারণে এই খুন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত কুতুবউদ্দিন দফাদারকে গ্রেপ্তার করে অশোকনগর থানার পুলিশ তাঁকে বারাসাত আদালতে সাত দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে পাঠিয়েছে।