বারুইপুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করছে SIT। এর মাঝেই রবিবার সকালে নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পরে অভিযুক্তদের নিয়ে করা বিভিন্ন ভিডিয়ো ছড়িয়ে গিয়েছে সমাজমাধ্যমে। যার মধ্যে একটি ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে এক অভিযুক্তকে ভয়ঙ্কর কিছু স্বীকারোক্তি করতে। যদিও এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করে দেখেনি এই সময় অনলাইন।
ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, এই ঘটনায় ধৃতকে একটি টোটোতে করে বারুইপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানেই অভিযুক্ত বলছে, ‘মেয়েটি চিৎকার করছিল। ওর গলায় পা তুলে ধরে তারপর টেনে নিয়ে বাগানের মধ্যে চলে যায় আনন্দ ও তার তিন জন বন্ধু।’ অভিযুক্তেরা ঘটনার সময়ে মত্ত ছিল বলেও জানাচ্ছে ওই অভিযুক্ত।
ভিডিয়োতে জখম অবস্থায় যাকে দেখা গিয়েছে, তার নাম প্রভাস মণ্ডল। তাকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়াও বারুইপুরের ঘটনায় গ্রেপ্তার দিবাকর সর্দার ও মূল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার। দুই অভিযুক্তকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়। তা মঞ্জুর করেছে আদালত। মূল অভিযুক্ত আনন্দকে আদালতে হাজির করা হবে মঙ্গলবার।
ইতিমধ্যেই বারুইপুরের ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-র ধর্ষণ (৬৫), গণধর্ষণ (৭০ [২]), খুন (১০৩ [১]), তথ্যপ্রমাণ লোপাট (২৩৮), অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র (৬১) ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। পকসো আইনের ৬ নম্বর ধারাতেও মামলা হয়েছে।