প্রাক্তন মন্ত্রীর কার্যালয়ে ঠাসা কাঁড়ি কাঁড়ি ত্রিপল! শুধু তাই নয়, উদ্ধার হয়েছে লাঠির বান্ডিল ও একটি তরোয়াল। যা ঘিরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। খাতড়ায় প্রাক্তন মন্ত্রী ও প্রাক্তন বিধায়কের কার্যালয়ে তল্লাশিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা। প্রশাসন সূত্রের দাবি, তল্লাশি চালিয়ে ওই কার্যালয় থেকে সরকারি ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। কার্যালয়ে লুকোনো ছিল একটি তরোয়ালও। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর তালিকা তৈরি করে সেগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া তরোয়ালটি কী উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা ছিল, তার তদন্ত চলছে।
ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি ত্রাণসামগ্রী বলে দাবি করা জিনিসপত্র কীভাবে ওই কার্যালয়ে পৌঁছল এবং কত দিন ধরে সেখানে ছিল। তদন্তকারীরা নথিপত্র খতিয়ে দেখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিরোধীদের দাবি, বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। অন্যদিকে, প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডি (Jyotsna Mandi) বা তাঁর প্রতিনিধিদের তরফে এই অভিযোগের বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, তদন্তের স্বার্থে আপাতত বিস্তারিত কিছু জানানো হচ্ছে না। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর উৎস, সংরক্ষণের কারণ এবং এ ঘটনায় কারও দায় রয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।
শুক্রবারই রাজ্যের আরও এক প্রাক্তন মন্ত্রী মনোজ তিওয়ারির অফিস ঘর থেকে উদ্ধার হয় প্রচুর সরকারি ত্রাণ সামগ্রী। শিবপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের অফিস থেকে মিলেছে কন্ডোম! শুধু তাই নয়, তাঁর ঘনিষ্ঠ ক্লাব থেকে তরোয়াল ও হকি স্টিকও উদ্ধার হয়েছে। নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকে একাধিক জায়গায় তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের কার্যালয় থেকে প্রচুর সংখ্যায় ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার হচ্ছে। বিভিন্ন কার্যালয়ের ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে খাট, বিছানা, কন্ডোমও।