'আর্জেন্টিনার অবস্থা এখন তৃণমূলের মতো...,' মেসিদের নিয়ে কেন এমন বললেন দিলীপ?
আজ তক | ০৪ জুলাই ২০২৬
রাউন্ড অফ ৩২-এর লড়াইয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে কার্যত নাকানিচোবানি খাইয়েছে কেপ ভার্দে। প্রথমবার বিশ্বকাপের মঞ্চে এসেই এই দেশের নজরকাড়া পারফর্ম্যান্সে মুগ্ধ হয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মেসির দল কেন এমন অনভিজ্ঞ দলের কাছে আটকে যেতে যেতে বাঁচল, তা ভাবিয়েছে তাঁকে। সেই নিয়ে বলতে গিয়ে আর্জেন্টিনাকে সটান তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে তুলনা করে বসলেন দিলীপ। শুনে থ সকলেই।
আর্জেন্টিনার সঙ্গে তৃণমূলের তুলনা
শনিবার সকালেও প্রতিদিনের মতো ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। সেখানে তাঁর মুখে শোনা যায়, পার্টি অফিস ও দলের লোগো নিয়ে দুই তৃণমূল শিবিরের মধ্যে দড়ি টানাটানির প্রসঙ্গ। আর তাতেই উঠে আসে শুক্রবার ভোররাতের আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দের ম্যাচের কথা।
দিলী ঘোষ আর্জেন্টিনার সঙ্গে তৃণমূলের তুলনা টানেন। মন্ত্রী বলেন, 'বাড়ির মালিক কাদের অধিকার দেবেন, তা দেখার প্রয়োজন নেই, নিজেরাই তালা মারছেন। এটা তো অন্যায়। আমার মনে হয় এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হোক।' তাঁর সংযোজন, 'আর্জেন্টিনা বিশ্ব বিখ্যাত দল। কিন্তু তাদের অবস্থা এখন তৃণমূলের মতো হয়ে যাচ্ছে। যে তৃণমূলের কথায় পাতা নড়ত, সূর্য উঠত, সেই তৃণমূলে অবস্থা দেখেছেন! দু’টি গ্রুপে লড়াই হচ্ছে। ঘর দখলের লড়াই হচ্ছে। কী অবস্থা! আর্জেন্টিনা সম্পর্কে আমাদের খুব উচ্চ ধারণা ছিল যে খুব শক্তিশালী দল। একটা অজ্ঞাতকুলশীল দল এসে তাদেরকে আটকে দিচ্ছে।'
এছাড়াও তাঁর মুখে শোনা গেল বাবুল সুপ্রিয়র কথাও। BJP-তে থাকাকালীন যিনি গেয়েছিলেন, 'এই তৃণমূল আর না গানটি।' তবে পরবর্তীতে বাবুল চলে গিয়েছেন তৃণমূলে। বিধানসভা ঘুরে বর্তমানে তিনি তৃণমূলের (মমতাপন্থী) রাজ্যসভা সাংসদ। দিলীপের কথায়, 'নীল সাদা রং মুছে ফেল, বাবুলদা এই গানটাই গেয়েছিলেন। এবার লোকে সেই কাজটাই করছে। আমি বাবুলদাকে খুঁজছিলাম, উনি নতুন গান লিখেছেন কি না।'
প্রসঙ্গত, সায়েন্স সিটির অদূরে ‘তৃণমূল ভবন’ মেরামতির কাজ চলছে বেশ কয়েক বছর ধরে। অস্থায়ী ভাবে মেট্রোপলিটনের একটি বাড়িতে তৃণমূলের রাজ্য দফতর স্থানান্তরিত হয়েছে কিছু দিন আগে। ঋতব্রতপন্থীরা শুক্রবার রাতে সেই অফিসে গিয়ে টাঙিয়ে দেয় নতুন ব্যানার। গেটে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় তালা। দিলীপ বলেন, 'পাড়ার দুই তৃণমূল গুন্ডা মারপিট করত। বোম মারত। মারা যেত সাধারণ মানুষ। এখনও সেই অভ্যাস যায়নি। বাড়ির মালিক কাদের অধিকার দেবেন সেটা দেখার প্রয়োজন নেই, নিজেরাই তালা মারছেন। একুশের নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেসের বহু লোকজন আমাদের পার্টি অফিসে তালা মারছিল। তখন প্র্যাকটিস করছিল। এখন কাজে আসছে। নিজেদের পার্টি অফিসেই তালা মারছে।'