আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাস। বারাসতের বাসিন্দা সর্বেন্দ্র সরকারের মেয়েকে নির্মমভাবে খুনের অভিযোগ ওঠে। পরিবারের অভিযোগ, তাঁর মেয়ের শ্বশুরবাড়ির সদস্যরাই মেয়েকে অত্যাচার করে খুন করেন। জামাই, শ্বশুর-সহ গোটা পরিবারের নামে অভিযোগ দায়ের করেন সর্বেন্দ্র কুমার। কিন্তু সুরাহা মেলেনি।
মেয়ের শ্বশুর পার্ক স্ট্রিট থানায় সাব ইন্সপেক্টর ছিলেন এবং নবান্নেও কর্তব্যরত ছিলেন। যার জেরে পুলিশের পক্ষ থেকে জামাইকে গ্রেপ্তার করা হলেও সেভাবে সুবিচার মেলেনি বলে তিনি অভিযোগ করেন এদিন। শনিবার সকালেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে বিচারের আশায় দ্বারস্থ হন জনতার দরবারে। তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, দোষীদের শাস্তি হবেই।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবার এই নিয়ে ষষ্ঠবার অনুষ্ঠিত হল। সাধারণ মানুষ-সহ প্রায় ৩৩ জনের সমস্যার কথা আজ মুখ্যমন্ত্রী শুনেছেন। বরুন বিশ্বাসের পরিবার যেমন এসেছিল মুখ্যমন্ত্রীর কাছে, তেমনই পাশাপাশি আরও অনেকে কেউ চিকিৎসা, আর্থিক সাহায্য চেয়ে, কেউ আবার চাকরির সমস্যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এসেছিলেন।
১৪ বছর আগে ৫ জুলাই দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হয়েছিলেন প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে বরুণ বিশ্বাসের দাদা ও দিদি দ্বারস্থ হন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করে তাঁরা নিজেদের দাবি জানান। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে বরুণের দাদা ও দিদি জানান, শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনায় সিট গঠন করে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন, বিচার পাইয়ে দেবেন। নতুন করে তদন্ত হবে। তাঁরা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ, বরুণ বিশ্বাস খুনের জন্য মাস্টারমাইন্ড ছিলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে কোনওরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।