• কোন সাংসদ-বিধায়ককে নিশানা কুণালের?
    আজকাল | ০৪ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: বাইপাসে তৃণমূল ভবনে ঋতব্রতদের শুক্রবারের তালা লাগানোর বিষয়টি নিয়ে ফের একবার ফেসবুকে সরব হলেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি লেখেন, বিজেপি নেতাদের বাড়ি, হোটেলে গিয়ে মিটিং-সেটিং, দিল্লিতে গাড়ির গ্যারেজে লাইন দেওয়া, ঘুরপথে পার্টি ভাঙার চেষ্টা, সরকারপক্ষের দয়ায় পদপ্রাপ্তি, দলের পার্টি অফিসে সন্ধেবেলা ঢুকে তালা লাগানোর ছবি আর খবর তো দেখছি, ডায়লগবাজি শুনছি; তা ওই বিধায়ক, সাংসদদের নিজের নির্বাচনী এলাকায় কোনো পার্টি অফিসে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা, কাজকর্মের ছবি এখনও দেখতে পাচ্ছি না কেন?

    https://www.facebook.com/story.php

    প্রসঙ্গত, শুক্রবারই দিল্লি থেকে ফিরে আর বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে সোজা ইএম বাইপাসের তৃণমূল ভবন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছিলেন ঋতব্রত ব্যানার্জি, ফিরহাদ হাকিমরা। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই সেখানে শুরু হয়ে গিয়েছে ম্যারাথন বৈঠক। তার আগে দুপুরে দিল্লির নির্বাচন সদনে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করে ঋতব্রত শিবির সাফ দাবি করে এসেছে, ঘাসফুল শিবিরের আসল নিয়ন্ত্রক আসলে তাঁরাই। দল বা প্রতীক নিয়ে কোনও ধোঁয়াশাই নেই।

    নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের ঋতব্রতের নেতৃত্বে ১০ জনের এক প্রতিনিধি দল হাজির হয়েছিল, যার মধ্যে ছিলেন ৯ জন বিধায়ক ও একজন প্রাক্তন মন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁরা দাবি করেন, দলের দুই-তৃতীয়াংশ বিধায়ক, কাউন্সিলর এবং জেলা পরিষদের সদস্যরা তাঁদের পাশেই আছেন। ফলে প্রতীক বা দলের নাম হাতছাড়া হওয়ার কোনও আশঙ্কাই নেই। তবে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, যদি সত্যিই কোনও সংশয় না থাকে, তবে তড়িঘড়ি কমিশনে যাওয়ার কী দরকার ছিল?

    ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, আসল লড়াইটা আসলে দলের প্রতীক আর কোটি কোটি টাকার দলীয় তহবিলের রাশ নিজেদের হাতে রাখার। ঋতব্রতরা চাইছেন, দলের নতুন কোষাধ্যক্ষ আখরুজ্জামানের হাতেই যেন তহবিলের পুরো নিয়ন্ত্রণ থাকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের বক্তব্য শুনেছেন এবং আগামী সোমবারের মধ্যে পুরো বিষয়টি লিখিত আকারে জমা দিতে বলেছেন।
  • Link to this news (আজকাল)