• প্রভিডেন্ট ফান্ডে টাকা জমার নিয়ম বদল, এবার ‘ঐচ্ছিক জমা’র বিকল্প আনল ইপিএফ
    প্রতিদিন | ০৩ জুলাই ২০২৬
  • কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠনের গ্রাহকদের জন্য বড় পরিবর্তন নিয়ে এসেছে কেন্দ্র। ইপিএফ স্কিম ২০২৬ নামের এই একগুচ্ছ নতুন নিয়ম গত ২৯ জুন থেকে কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে কর্মীদের আর্থিক প্রয়োজনে আরও সাচ্ছল‌্য ও প্রয়োজন মতো তাতে অদলবদল করার স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে গ্রাহকদের। নয়া নিয়মে গ্রাহক যদি চান সেক্ষেত্রে ১২ শতাংশের বেশি টাকা নিজের প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা করতে পারবেন। তা সেটা হবে সম্পূর্ণ ‘ঐচ্ছিক’।

    কেন্দ্র নতুন ‘এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিম, ২০২৬’ (EPFO Scheme 2026) ঘোষণা করেছে যা দেশের প্রায় আট কোটি ইপিএফও ​​গ্রাহকের জন্য লাভদায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। সহজ, ডিজিটাল এবং গ্রাহক-বান্ধব হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। নতুন নিয়মে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কর্মীদের বাধ্যতামূলক জমার বিষয়টি শুধুমাত্র বিধিবদ্ধ বেতনসীমা পর্যন্তই প্রযোজ্য, যা বর্তমানে মাসে ১৫,০০০ টাকা। এর অর্থ হল, বাধ্যতামূলক ইপিএফ জমার পরিমাণ ১৫,০০০ টাকার ১২ শতাংশ-ই থাকছে, অর্থাৎ মাসে ১,৮০০ টাকা। আইন অনুযায়ী নিয়োগকর্তারাও সমপরিমাণ অর্থ জমা দেবেন।

    আগে অনেক কর্মী কোম্পানির নীতি বা পারস্পরিক চুক্তির ভিত্তিতে উচ্চ বেতনের ওপর ভিত্তি করে পিএফ জমা দিতেন। নতুন নিয়মে এখন বাধ্যতামূলক এবং ঐচ্ছিক জমার মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য করা হয়েছে। তবে ১,৮০০ টাকার বেশি যে কোনও পরিমাণ অর্থ এখন ‘ঐচ্ছিক জমা’ হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ আগে কর্মীদের বেতনের ১২ শতাংশ প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমা বাধ্যতামূলক ছিল। এক্ষেত্রে ১৫০০০-এর বেশি বেতন হলে কর্মী চাইলে ১২ শতাংশের কম অর্থ জমা করতে পারবেন। চাইলে বেশিও করতে পারবেন। তবে কোনওভাবেই সেটা ১৮০০ টাকার কম হবে না।

    নতুন নিয়মে আংশিক টাকা তোলার নিয়মেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ন্যূনতম ব্যালেন্সের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ সংরক্ষিত ব্যালান্স রাখতে হবে গ্রাহককে আর এই নিয়ম কর্মচারী এবং নিয়োগকর্তা—উভয়ের অবদানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। প্রয়োজন, সদস্যরা অসুস্থতা, শিক্ষা ও বিয়ের মতো জরুরি প্রয়োজনে, আবাসন-সংক্রান্ত কাজে এবং বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে তাদের জমা অর্থ তুলে নিতে পারবেন।
  • Link to this news (প্রতিদিন)