• ‘মুখ্যমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি রয়েছে’, ওরিয়েন্টেশন শিবিরে শুভেন্দুর প্রশংসায় ওম বিড়লা, বাম-তৃণমূল জমানাকে নিশানা মুখ্যমন্ত্রীর
    এই সময় | ০৩ জুলাই ২০২৬
  • নব নির্বাচিত বিধায়কদের ওরিয়েন্টশন কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভূয়সী প্রশংসা করলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। একই সঙ্গে সুশাসনের উপরে জোর দেন তিনি। ওম বিড়লার কথায়, ‘মুখ্যমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি রয়েছে। তিনি গণতন্ত্র মজবুত করার কাজ করছেন।’ মুখ্যমন্ত্রীর পরিষদীয় দক্ষতার প্রশংসাও করেন তিনি।

    নিউটাউনের কনভেনশন সেন্টারে দু’দিনের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ওম বিড়লা। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু প্রমুখ। সেখানে বিধায়কদের সব সময়ে শেখার ইচ্ছা থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন ওম বিড়লা। তাঁর কথায়, ‘জীবনে শেখার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন।’

    পশ্চিমবঙ্গের হারানো গৌরব ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন লোকসভার স্পিকার। তাঁর কথায়, ‘এই রাজ্য আধ্যাত্মিকতার মাটি। উদ্যোগ, শিক্ষা, চেতনার মাটি। গোটা দেশ পশ্চিমবঙ্গের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।’ এর পরেই শুভেন্দুর প্রশংসা করেন তিনি, ‘মুখ্যমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি রয়েছে। তিনি গণতন্ত্রকে মজবুত করতে চান।’ পালাবদলের পরে বিধানসভার অধিবেশনের লাইভ সম্প্রচার শুরু হয়েছে। এর জন্যও শুভেন্দুর প্রশংসা করেন তিনি। বিড়লার কথায়, ‘এই স্বচ্ছতার প্রয়োজন রয়েছে।’

    ওম বিড়লার বক্তব্যের আগে একই মঞ্চ থেকে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, ‘বামফ্রন্ট ৩৪ বছর ধরে পার্টি অফিস থেকে সিদ্ধান্ত নিত। আর তৃণমূলের ১৫ বছরে যে অবস্থা হয়েছিল, তা আজ আর নতুন করে বলতে চাই না।’ প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধীদের ব্রাত্য করে রাখা হতো বলেও অভিযোগ করেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, ‘আমি নিজে চার বারের বিধায়ক আর দু’বারের সাংসদ ছিলাম। বিরোধী দলনেতা হয়েছি। কিন্তু কোনও প্রশাসনিক বৈঠকে ডাক পাইনি।’

    পুরোনো ধারা বদলানো হচ্ছে জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘আমাদের সরকার প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী বিধায়কদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। রাজ্যের উন্নয়নে প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানব সম্পদকে সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে হবে।’ একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ গঠনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানও স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘ভারতে অন্তর্ভুক্তির ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত এই বিধানসভাতেই নেওয়া হয়েছিল। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় না থাকলে আমরা কেউ এখানে উপস্থিত থাকতে পারতাম না।’

  • Link to this news (এই সময়)