• কঙ্গোকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী ইংল্যান্ড, মেক্সিকো ম্যাচের আগে অন্য চাপে হ্যারি কেনরা
    এই সময় | ০৩ জুলাই ২০২৬
  • ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের গোলে জয়ের পর বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। তবে সামনে অপেক্ষা করছে আরও কঠিন পরীক্ষা। বিশ্বকাপে সহ আয়োজক মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচের আগে প্রতিপক্ষের শক্তির চেয়ে বেশি ভাবাচ্ছে আজতেকা স্টেডিয়ামের অস্বাভাবিক উচ্চতা। ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেল স্বীকার করে নিয়েছেন, এত কম সময়ে সেই পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কার্যত অসম্ভব।

    আগামী সোমবার ভারতীয় সময় ভোরে মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে দুই দল। ৮৭ হাজার দর্শকাসন বিশিষ্ট এই স্টেডিয়াম সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭,২০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। ফলে অতিরিক্ত উচ্চতার সমস্যায় ভুগবে ইংল্যান্ড। কারণ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বেশি উঁচুতে খেললে অক্সিজেনের স্বল্পতা, দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়া এবং বলের গতিপথ বদলে যাওয়ার মতো সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে ইংলিশ ফুটবলারদের।

    ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে জয়ের পর সাংবাদিক বৈঠকে টুখেল বলেন, ‘আজতেকায় মেক্সিকোর বিপক্ষে খেলাটা বিশ্বকাপের সবচেয়ে সুন্দর ম্যাচগুলোর একটি হতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে এটি সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জগুলোরও একটি। আমাদের হাতে মাত্র তিন দিন সময়। এই সময়ের মধ্যে উচ্চতার সঙ্গে শারীরিকভাবে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই জানতাম এটি মেক্সিকোর বড় সুবিধা হবে। এবং এটি আমাদের মেনে নিয়েই খেলতে হবে। তবে দল মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতেই আমরা মাঠে নামব।’

    শুধু উচ্চতাই নয়, আজতেকার গ্যালারির পরিবেশ ও পরিসংখ্যান ইংল্যান্ডের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। এই মাঠে মেক্সিকো ৮৯ ম্যাচের মধ্যে মাত্র দু’টিতে হেরেছে। গত ১৩ বছরে নিজেদের মাঠে তারা অপরাজিত। বিশ্বকাপে আজতেকায় এখন পর্যন্ত ১০টি ম্যাচ খেলেও কোনো দল মেক্সিকোকে হারাতে পারেনি।

    ঘরের মাঠের সুবিধা মেক্সিকোর

    বিশ্বকাপে নিজেদের চার ম্যাচের তিনটিই এই মাঠে খেলেছে মেক্সিকো। ফলে এখানকার আবহাওয়া, উচ্চতা ও পরিবেশের সঙ্গে তারা পুরোপুরি অভ্যস্ত। অন্যদিকে, আতলান্টা থেকে মেক্সিকো সিটিতে পৌঁছে খুব অল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামতে হবে ইংল্যান্ডকে।
  • Link to this news (এই সময়)