• তৃণমূল, তুমি কার? দাবি-পালটা দাবির মাঝেই এবার বড় পদক্ষেপ কমিশনের
    ২৪ ঘন্টা | ০২ জুলাই ২০২৬
  • অর্কদীপ্ত মুখোপাধ্যায় ও রাজীব চক্রবর্তী: তৃণমূল, তুমি কার? দাবি-পালটা দাবির মাঝেই এবার পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দু'জনকেই চিঠি বক্তব্য জানাতে বলা হল। সোমবার বিকেল ৬ জুলাই বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে নথি-সহ বক্তব্য জানাতে হবে তাঁদের।

    তৃণমূল কংগ্রেসের নাম, প্রতীক, বিপুল অংকের ব্যাঙ্ক ব্যালেন্সের মালিকানা নিয়ে লড়াই পৌঁছে গিয়েছে দিল্লিতে। আজ, বুধবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে নিজেদের বক্তব্য পেশ করেছেন ঋতব্রত শিবির। ঋতব্রতের দাবি, তাঁর সঙ্গে রয়েছেন কমপক্ষে ৬৫ জন বিধায়ক। বস্তুত, কমিশনের কাছে আগেই লিখিত দাবি পেশ করেছিলেন বিক্ষুদ্ধ বিধায়ক। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই তাদের ডেকে পাঠায় কমিশন।

    এর আগে, নিজেকে চেয়ারম্যান বলে উল্লেখ করে তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির তালিকা কমিশনে জমা দেন মমতাও। এরপর আলাদা বৈঠক করে জাতীয় কর্মসমিতি তৈরি করে ঋতব্রতরা। সেই কমিটির চেয়ারম্যান করা হয় মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে। বাদ দেওয়া হয় মমতা-অভিষেককে।

    বুধবার সন্ধ্যেবেলা মহারাষ্ট্র নিবাসে কর্মিসভা করে কালীঘাট তৃণমূলের দক্ষিণ কলকাতার নেতৃত্বরা। সেই সম্মেলনে মোবাইলে কর্মিসভার উদ্দেশে বার্তা দেন মমতা। সম্মেলনে হাজির ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মদন মিত্র, কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মতো একাধিক নেতারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, 'আমরাই আসল তৃণমূল। যারা যারা বেইমানি করেছে, যারা গদ্দারি করেছে, তাদের আমরা ফেরাব না'। কর্মিসভার স্পষ্ট বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মীদের পালটা বক্তব্য, 'লোগো যাক, নাম যাক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থাকলেই হবে'।
  • Link to this news (২৪ ঘন্টা)