• শয়ে-শয়ে কোটি টাকার সম্পত্তি, হাতছাড়া হবে দেবরাজের?
    আজকাল | ০২ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকেই তিনি বেপাত্তা ছিলেন। অবশেষে দীর্ঘ টানাপোড়েন শেষে বুধবার পুরুলিয়া থেকে প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর তথা অভিষেক ব্যানার্জির ঘনিষ্ঠ নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করল রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। আর গ্রেপ্তারির পর এবার আরও বিপদে পড়তে চলেছেন দেবরাজ। দেবরাজ গ্রেপ্তার হতেই দিল্লির নির্দেশ আসার পর ইডির পক্ষ থেকে দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ECIR করা হল। দেবরাজের বিরুদ্ধে একাধিক ধারা দেওয়া হয়েছে। বাগুইআটি থানায় দেবরাজ চক্রবর্তী বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী ১২৬(২), ১২৭(২), ৩০৮(২), ৩০৮(৪), ৩০৮(৬), ৩০৮(৭), ১১১/৩২৪(৪), ৩২৪(৪), ৩২৪(৫), ৬১(২)/৩৫১(২),/৩(৫) ধারা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ কৃষ্টপুর এলাকায় কোনও একটি বিল্ডিং তৈরির কাজ করছিলেন অভিজিৎ সাহা নামে এক প্রোমোটার। 

    সেই সময় দেবরাজ চক্রবর্তী এবং তার দলবল জোর করে তাঁর কাজ বন্ধ করে দেয় এবং টাকা চাওয়া হয়। টাকা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছিল, এমনটাই অভিযোগ। এরপর ওই প্রমোটার দেবরাজ চক্রবর্তীকে ৩০ লক্ষ টাকা এবং মনীষ মুখার্জিকে পাঁচ লক্ষ টাকা দেন বলে সূত্রের খবর। আবার কিশোর নামে এক প্রোমোটারও অভিযোগ করেন, তাঁর থেকে এক কোটি টাকা চেয়েছিল দেবরাজ। ২৭ লক্ষ টাকায় শেষে রফা হয়। 

    এদিকে, কলকাতার ইডি আধিকারিকরা দেবরাজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত আরও বেশ কিছু রিপোর্ট পাঠালেন দিল্লিতে। এর আগে বেশকিছু অনুসন্ধান করা হয়েছিল রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল আবারও নতুন করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট পাঠানো হল। তদন্তকারী সূত্রে খবর, গত ১৬ জুন থেকে ক্রমাগত নিজের আস্তানা বদল করছিলেন দেবরাজ। উত্তরবঙ্গের কালিম্পং সহ একাধিক জায়গায় গা-ঢাকা দিয়েও শেষ রক্ষা হল না। পুলিশকে বিভ্রান্ত করতে দফায় দফায় মোবাইল ফোন ও সিম কার্ড পাল্টাচ্ছিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, প্রায় ১০০টি মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করার পর অবশেষে দেবরাজের হদিস পান গোয়েন্দারা। দেবরাজ তাঁর পরিচিত যাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারতেন, তাঁদের প্রত্যেকের ওপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছিল।
  • Link to this news (আজকাল)