• ফোন পেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন পলাশ! পরদিন খাল থেকে মিলল দেহ, তদন্তে হিঙ্গলগঞ্জ পুলিশ
    News18 বাংলা | ০২ জুলাই ২০২৬
  • উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে খুন করে খালের জলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। পরিবারের দাবি, একটি কথিত অবৈধ সম্পর্কের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। যদিও গোটা ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশ।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম পলাশ মণ্ডল (৪০)। তিনি হিঙ্গলগঞ্জ থানার শ্রীধর কাঠি এলাকার বাসিন্দা। বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা বিভিন্ন জায়গায় তাঁর খোঁজ করলেও কোনো সন্ধান পাননি।

    বৃহস্পতিবার সকালে শ্রীধর কাঠি এলাকার কালীর খাল থেকে পলাশ মণ্ডলের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়দের নজরে দেহটি আসার পর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠায়।

    মৃতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পরিবারের দাবি। সেই কারণেই পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ, পলাশ মণ্ডলকে খুন করার পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে তাঁর দেহ খালের জলে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

    মৃতের মেয়ের অভিযোগ, গ্রামের এক মহিলার সঙ্গে তাঁর বাবার সম্পর্ক ছিল। ওই মহিলা প্রায়ই ফোন করে তাঁর বাবাকে ডেকে নিতেন। অভিযোগ, ঘটনার দিনও ওই মহিলা ফোন করে পলাশ মণ্ডলকে ডেকেছিলেন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। পরিবারের দাবি, এই ঘটনার পিছনে ওই মহিলার হাত থাকতে পারে এবং সেই দিকটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    অন্যদিকে, ঘটনার পর থেকেই তদন্তে নেমেছে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিশ। মৃতদেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্তের স্বার্থে কোনো সম্ভাবনাকেই উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।

    অনুপম সাহা
  • Link to this news (News18 বাংলা)