• দেশের ৩৫ শতাংশেরও বেশি স্কুলে নেই কম্পিউটার- ইন্টারনেট পরিষেবা, রিপোর্ট, অন্য বছরের তুলনায় কমেছে স্কুলছুটের হার, দাবি শিক্ষামন্ত্রকের
    বর্তমান | ২৯ আগস্ট ২০২৫
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: প্রবল সমালোচনার জের। অবশেষে মোদির ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় কম্পিউটার থাকা স্কুল এবং ইন্টারনেট পরিষেবাপ্রাপ্ত বিদ্যালয়ের হার সামান্য বৃদ্ধি করল শিক্ষামন্ত্রক। কিন্তু এক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ সফলতা পেতে এখনও ঢের দেরি রয়েছে বলে অভিমত শিক্ষা বিশেষজ্ঞ মহলের। বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রকের তরফে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। ‘ইউনিফায়েড ডিস্ট্রিক্ট ইনফর্মেশন সিস্টেম ফর এডুকেশন প্লাস’ (ইউডিআইএসই +) শীর্ষক ২০২৪-২৫ শিক্ষা বছরের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, দেশের ৩৫ শতাংশেরও বেশি স্কুলে কম্পিউটার নেই। আবার ৩৫ শতাংশেরও বেশি বিদ্যালয়ে কম্পিউটার থাকলেও ইন্টারনেট পরিষেবাই অমিল। তবে উল্লিখিত রিপোর্টে শিক্ষামন্ত্রক দাবি করেছে, অন্যান্য বছরের তুলনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবর্ষে সারা দেশে স্কুলছুটের হার কিছুটা হলেও কমেছে।

    শিক্ষামন্ত্রকের ওই রিপোর্টে আরও জানা যাচ্ছে, কম্পিউটার রয়েছে, ২০২৪-২৫ শিক্ষা বছরে সারা দেশে এমন স্কুলের হার ৬৪.৭ শতাংশ। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে এই হার ছিল ৫৭.২ শতাংশ। আবার, ২০২৪-২৫ শিক্ষা বছরে সারা দেশে ইন্টারনেট পরিষেবা প্রাপ্ত স্কুলের হার ৬৩.৫ শতাংশ। এক বছর আগে এই হার ছিল ৫৩.৯ শতাংশ। অর্থাৎ, পরিষেবা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সেই হার অত্যন্ত কম। শিক্ষামন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট থেকে দেখা যাচ্ছে, ২০২৪-২৫ শিক্ষা বছরে সবথেকে বেশি স্কুলছুট রয়েছে সেকেন্ডারি স্টেজে। ৮.২ শতাংশ। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে এই হার ছিল ১০.৯ শতাংশ। তবে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে দেশব্যাপী বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ, পানীয় জলের ব্যবস্থা, মেয়েদের শৌচালয়, পাঠাগারের মতো ন্যূনতম পরিষেবা বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু সেই বৃদ্ধির হার অতি সামান্য। পরিসংখ্যান থেকে আরও জানা গিয়েছে, দেশের প্রায় ১১ শতাংশ স্কুলে এখনও লাইব্রেরিই নেই! ফলে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে খামতি থেকে যাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে।

     রিপোর্টে শিক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে, এই প্রথম দেশে শিক্ষকদের সংখ্যা এক কোটি পেরিয়েছে। ২০২৪-২৫ শিক্ষা বছরে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১ লক্ষ ২২ হাজার ৪২০।
  • Link to this news (বর্তমান)